By Ziya Pub Apr 12 Upd Apr 12

বারাসাতের নীল আকাশ - একাদশ পর্ব : প্রথম বৃষ্টির ছোঁয়া আর শিমুলতলায় বিভূতিভূষণের ইছামতী

বারাসাতের আকাশে বর্ষার প্রথম বৃষ্টি আর অর্ণব-তিতলির না বলা কিছু মুহূর্ত। বিভূতিভূষণের ইছামতী আর শিমুলগাছের তলায় কাটানো এক অলস মেঘলা সকালের গল্প নিয়ে এই পর্ব।

বারাসাতের নীল আকাশ - একাদশ পর্ব : প্রথম বৃষ্টির ছোঁয়া আর শিমুলতলায় বিভূতিভূষণের ইছামতী

Bengali Serial Fiction  ✦  একাদশ পর্ব

বারাসাতের নীল আকাশ

"প্রথম বৃষ্টির কথা"


বর্ষা আসছে — বারাসাতের আকাশ ভারী হচ্ছে

জুন মাসের শুরুতে আকাশ ভারী হতে শুরু করে।

বারাসাতে বর্ষা আসে ধীরে ধীরে।

প্রথমে দূরে মেঘ জমে। তারপর বাতাসে একটা গন্ধ আসে — মাটির গন্ধ, জলের গন্ধ, পুরনো কিছু ভিজে যাওয়ার গন্ধ।

তারপর একদিন সকালে উঠে দেখা যায় — আকাশ কালো, বাতাস ঠান্ডা হয়ে গেছে, আর দূরে দিগন্তে একটা ধূসর পর্দা নামছে।

বৃষ্টি আসছে।


সেই বছরের প্রথম বৃষ্টি এল একটা মঙ্গলবারে।

বিকেল চারটায়। অর্ণব তখন অফিসে। হঠাৎ জানালার বাইরে অন্ধকার হয়ে গেল।

প্রথমে টিনের চালে টুপটাপ।

তারপর ঝমঝম।

তারপর প্রবল।

অফিসের সবাই জানালায় ভিড় করল। অর্ণব বসে রইল। মোবাইল বের করল।

"বৃষ্টি।"   

"দেখছি। অফিসের জানালা থেকে।"

"কেমন লাগছে?"   

"ভালো। অনেকদিন পরে।"

"ভিজতে ইচ্ছে করছে?"

একটু চুপ।

"সবসময়।"

সেদিন অর্ণবের ফিরতে রাত হল। বৃষ্টি থামেনি পুরোপুরি। ঝিরঝির করছে। রাস্তায় জল। ছাতা নেই। ভিজল।

বাড়ি পৌঁছে মা বললেন, "ছাতা নিয়ে যাসনি কেন?"   

"ভুলে গিয়েছিলাম।"   

"গরম চা খা।"

চা খেতে খেতে তিতলির মেসেজ

"ভিজেছ?"   

"একটু।"   

"ছাতা ছিল না?"   

"না।"   

"বোকা।"

"তুমিও বৃষ্টিতে ভেজো।"   

"আমি ইচ্ছে করে ভিজি। তুমি ভুলে ভিজেছ।"   "পার্থক্য কী?"

"একটায় আনন্দ আছে। আরেকটায় সর্দি আছে।"

অর্ণব হেসে ফেলল।


পরের রবিবার। বর্ষার প্রথম রবিবার।

সকাল থেকে মেঘলা। বৃষ্টি নেই এখনো। কিন্তু আকাশ জুড়ে ধূসর মেঘ। বাতাসে জলের গন্ধ।

"আজ শব্দলোকে না গেলে হয় না?"    "কেন?"   

"মনে হচ্ছে বাইরে থাকলে ভালো হবে। মানে খোলা জায়গায়।"

"কোথায় যাবে?"   

"মাঠে।"   

"কোন মাঠে?"   

"সেই মাঠে। শিমুলগাছের মাঠে।"

"বৃষ্টি এলে?"

"তাহলে ভিজব।" 😄


শিমুলগাছের মাঠে — বৃষ্টির আগের অলস সকাল

মাঠে পৌঁছাল দশটায়।

শিমুলগাছের নিচে। ফুল ঝরে গেছে অনেক আগেই। এখন শুধু সবুজ পাতা। ঘাসে একটু ভেজা ভেজা ভাব।

তিতলি ব্যাগ থেকে একটা বই বের করল। বিভূতিভূষণের ইছামতী।

"পড়তে শুরু করেছ?"   

"হ্যাঁ। অনেকদিন হল। কিন্তু আজকে এখানে পড়তে ইচ্ছে করছিল।"

"কেন এখানে?"

"কারণ বিভূতিভূষণ লিখেছেন প্রকৃতির মাঝে বসে। তাঁর লেখা পড়তে হলে প্রকৃতির মাঝে বসাই ঠিক।"

অর্ণব হাসল। "এই যুক্তি আগে শুনিনি।"   

"আমার নিজের।" তিতলি হাসল।

পড়তে লাগল তিতলি। অর্ণব শুয়ে পড়ল ঘাসে। মাথার নিচে হাত। আকাশ দেখছে। মেঘ ভাসছে। ধীরে।

এই অলস মুহূর্তগুলো। এগুলো লেখা হয় না। গানে হয় না। কবিতায় কিছুটা হয়। কিন্তু পুরোপুরি ধরা যায় না।

ঘাসে শুয়ে মেঘ দেখা। পাশে একজন বই পড়ছে। বাতাস আসছে। গাছে পাতা নড়ছে।

এই মুহূর্তের কোনো নাম নেই। শুধু অনুভব আছে।

বিভূতিভূষণ — ইছামতী

"পৃথিবীতে এমন জায়গা আছে যেখানে গেলে মনে হয় জীবনটা এতদিন ভুল জায়গায় কাটিয়েছি।"

অর্ণব চোখ খুলল। আকাশ দেখল।

"এই লাইনটা আমার বেলায়ও সত্যি।"    "কখন?"

"যখন তোমার সাথে প্রথমবার হাঁটলাম এই শহরে। মনে হয়েছিল — এতদিন এই শহরে ছিলাম, কিন্তু ঠিকমতো ছিলাম না।"

তিতলি বইটা রাখল কোলে। অর্ণবের দিকে তাকাল।

"মানে?"   

"মানে — এই শহরে আছি, কিন্তু দেখছিলাম না। অনুভব করছিলাম না। তুমি দেখালে।"

তিতলি চুপ করে রইল। বাতাস এল। চুল উড়ল। সরাল না।

"তোমার লেখা গল্পগুলো। দ্বিতীয় গল্পটা কতটুকু হল?"   

"অর্ধেক।"   

"পড়তে দেবে?"   

"শেষ হলে।"

তিতলি একটু মুখ ভার করল। "সবসময় একই কথা।"    অর্ণব হাসল। "লেখকের ধৈর্য দরকার।"    "পাঠকেরও।"

"তোমার আছে।"   

"জানলে কীভাবে?"   

"কারণ তুমি এতদিন আমার সাথে আছ।"

তিতলি হাসল। "এটা ধৈর্য না।"   

"তাহলে?"   

"এটা অন্য কিছু।"   

"কী?"

তিতলি বইয়ে মুখ দিল। "বইয়ে পড়ো।"


বেলা বাড়ল। মেঘ আরো ঘন হল।

বাতাস বাড়ল। গাছের পাতা ঝাপটা খেল।

তিতলি আকাশ দেখল। "বৃষ্টি আসছে।"    অর্ণব উঠে বসল। "হ্যাঁ। যাবে?"    তিতলি একটু ভাবল। "একটু থাকি।"

"বৃষ্টিতে ভিজবে?"    তিতলি হাসল।

"তুমি থাকলে।"

অর্ণব তাকাল। তিতলি তাকিয়ে আছে। মুখে হাসি। চোখে একটা আলো।

"থাকব।"

বৃষ্টি এল।

হঠাৎ। আস্তে নয়। সরাসরি।

ঝমঝম।


প্রথম বর্ষায় — হাত ছড়িয়ে বৃষ্টিকে স্বাগত

তিতলি উঠে দাঁড়াল। দুহাত ছড়িয়ে দিল। মুখ উপরে তুলল।

বৃষ্টি পড়ছে মুখে। চোখে। চুলে।

হাসছে।

অর্ণব দাঁড়িয়ে দেখল। এই দৃশ্যটা। এই মেয়েটা।

বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে। হাত ছড়িয়ে। মুখ উপরে। পৃথিবীটাকে বুক ভরে নিচ্ছে।

"ভিজছ না কেন?" তিতলি ডাকল।

"দেখছি।"

"কী দেখছ?"

"তোমাকে।"

তিতলি মুখ নামাল। অর্ণবের দিকে তাকাল। ভেজা মুখ। ভেজা চুল। ভেজা হাসি।

"এসো।"

অর্ণব এগোল। বৃষ্টিতে। ভিজল। তিতলির পাশে দাঁড়াল। দুজন ভিজছে। শিমুলগাছের নিচে। বারাসাতের প্রথম বর্ষার বৃষ্টিতে।


বৃষ্টি কমল একটু। ঝিরঝির হল।

"কেমন লাগছে?"   

"ভালো।"   

"সত্যি?"   

"সত্যি।"

"তুমি প্রথমে বলেছিলে বৃষ্টিতে ভিজতে ভালো লাগে না।"   

"বলেছিলাম।"   

"এখন?"

অর্ণব আকাশের দিকে তাকাল। বৃষ্টি পড়ছে মুখে।

"এখন মনে হচ্ছে — তুমি ঠিক ছিলে।"    "কোন বিষয়ে?"

"ভেজা মানে অনুভব করা।"

তিতলি চুপ করে রইল। তারপর বলল —

"এখন কী অনুভব করছ?"

এই প্রশ্নটা। অর্ণব জানত এই প্রশ্নটা আসবে। তিতলি এই প্রশ্নটা করে। কী অনুভব করছ। এই প্রশ্নের সহজ উত্তর নেই। কিন্তু সত্যি উত্তর আছে।

সে তিতলির দিকে তাকাল। ভেজা মুখ। ভেজা চোখ। বৃষ্টির জল আর চোখের জল আলাদা করা যাচ্ছে না।

"তিতলি।"   

"হুম।"

"তোমাকে ভালোবাসি।"

নীরবতা।

বৃষ্টির শব্দ। গাছে পাতার শব্দ। দূরে কোথাও মেঘের গুড়গুড়।

তিতলি নিশ্চল।

অর্ণব বলে ফেলেছে।

সহজে। স্বাভাবিকভাবে। যেভাবে বৃষ্টি আসে।

বলার পরে একটুও অস্বস্তি নেই। বরং মনে হচ্ছে — এটা আগেই বলা উচিত ছিল।

তিতলি তাকাল। চোখে জল। বৃষ্টির জল। নাকি অন্য কিছু। আলাদা করা যাচ্ছে না।

"কতদিন থেকে?" সে বলল। আস্তে।

"জানি না। হয়তো প্রথম দিন থেকে। হয়তো তার আগে থেকে। হয়তো জন্ম থেকে।"

তিতলি একটু হাসল। ভেজা হাসি।

"জন্ম থেকে?"

"জানি না। কিন্তু মনে হয় — তোমাকে চেনার আগে থেকেই তোমার জন্য একটা জায়গা ছিল। মনে।"

তিতলি চুপ করে রইল। বৃষ্টি পড়ছে। শিমুলগাছ দুলছে।

"আমিও।"

শুধু এটুকু। কিন্তু এই দুটো শব্দে — এই বৃষ্টিতে — এই মাঠে — সব বলা হয়ে গেল।

দুজন দাঁড়িয়ে। বৃষ্টিতে। পাশাপাশি।

কথা নেই। কথার দরকার নেই।

বৃষ্টি বলছে। গাছ বলছে। মাটির গন্ধ বলছে।

"তুমি জানো — এই গাছটার নিচে বাবার সাথে আসতাম?"   

"জানি।"   

"আজকে তুমি এলে।"   

"হ্যাঁ।"

তিতলি গাছের কাণ্ডে হাত রাখল।

"মনে হচ্ছে বাবা জানেন।"

"যে তুমি এসেছ। এই গাছটার কাছে। আমার পাশে।"

অর্ণব কিছু বলল না। কিন্তু মনে মনে ভাবল — বাবারা জানেন। সবসময়।


বৃষ্টির পরের রোদ — ভেজা মাঠে আলোর উৎসব

বৃষ্টি থামল। হঠাৎ। যেভাবে এসেছিল।

আকাশ একটু পরিষ্কার হল। মেঘের ফাঁকে একটু রোদ।

বর্ষার রোদ — উজ্জ্বল, তীক্ষ্ণ।

ভেজা ঘাসে আলো পড়ল। ঝিকমিক।

"দেখো।" তিতলি বলল। অর্ণব দেখল। পুরো মাঠ আলোয় ভেসে যাচ্ছে।

"এটা আঁকব।" তিতলি বলল।

"কখন?"   

"বাড়ি গিয়ে। এখনই। মনে থাকতে থাকতে।"

"কী মনে রাখবে?"

"এই আলো।" একটু থামল। আরো আস্তে বলল। "আর তুমি।"

ফেরার পথে। রাস্তায় জল। দুজন ভেজা।

"মা দেখলে বকবেন।"   

"কী বলবেন?"   

"বলবেন ভিজেছিস কেন? সর্দি হবে।"   

"তুমি কী বলবে?"   

"বলব — ইচ্ছে করে ভিজেছি।"

"রাগ করবেন না?"   

"করবেন। কিন্তু রাগ কমে যাবে। সবসময় কমে।"

"মায়েরা রাগ করেন ভালোবাসা থেকে।"

অর্ণব মাথা নাড়ল। "আমার মাও।"    "সব মা।"

কদমতলার মোড়ে।

"আজকে তুমি যা বললে—"   

"হ্যাঁ।"   

"সেটা মনে থাকবে।"   

"কতদিন?"

"সারাজীবন।"

অর্ণব কিছু বলল না। শুধু তাকাল। তিতলিও তাকাল। ভেজা দুটো মানুষ। বারাসাতের মোড়ে। বর্ষার প্রথম দিনে।

"যাই।"   

"যাও।"   

"শুকনো পোশাক পরো।"   

"তুমিও।"   

"গরম চা খাও।"   

"তুমিও।"

"তুমি আমার কথা ফিরিয়ে দাও।"   

"কারণ তুমি ঠিক কথা বলো।"

"সবসময়?"   

"বেশিরভাগ।"

তিতলি হাসল। "যাই।"   

"যাও।"

"আজকের বৃষ্টিটা মনে থাকবে।"

"আমারও।"

বাড়ি ফিরে অর্ণব সরাসরি চেঞ্জ করল।

"ভিজেছিস?"   

"হ্যাঁ।"   

"ছাতা ছিল না?"   

"ছিল। নিইনি।"   

"কেন?"

অর্ণব হাসল।

"কারণ কিছু মুহূর্ত ছাতার আড়াল থেকে অনুভব করা যায় না।"

মা কিছু বললেন না। গরম চা দিলেন।

রাতে ডায়েরি খুলল।

দ্বিতীয় গল্পের নতুন অনুচ্ছেদ

"সেদিন বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে আকাশ বলেছিল — ময়ূরী, তোমাকে ভালোবাসি।
ময়ূরী কিছু বলেনি।
শুধু বলেছিল — আমিও।
বৃষ্টি পড়ছিল।
গাছ দুলছিল।
মাটি ভিজছিল।
আর দুটো মানুষ দাঁড়িয়ে ছিল।
ভেজা।
কিন্তু তার চেয়ে বেশি — পূর্ণ।"

কলম রাখল। পড়ল। ঠিক আছে।

এইবার গল্পটা শেষ হওয়ার কাছে।

মোবাইলে মেসেজ।

"আঁকলাম।"   

"কী আঁকলে?"   

"মাঠের দৃশ্যটা। বৃষ্টির পরের রোদ।"    "সত্যি?"   

"হ্যাঁ। দেখাব পরের রবিবার।"

 

"আমিও কিছু দেখাব।"   

"কী?"   

"দ্বিতীয় গল্পটা শেষ হয়ে গেছে আজকে।"

"সত্যি?"   

"হ্যাঁ।"   

"কতক্ষণ আগে?"   

"এইমাত্র।"

"আজকের বৃষ্টিটা লিখেছ?"   

"লিখেছি।"   

"আমার কথা আছে?"   

"প্রথম লাইন থেকে শেষ লাইন পর্যন্ত।"

"তুমি আমাকে গল্পে অমর করে দিচ্ছ।"

"তুমি আগে থেকেই অমর।"   

"কীভাবে?"

"কারণ তুমি ছাড়া এই গল্প হত না। তুমিই গল্পটা।"

"শুভরাত্রি।"   

"শুভরাত্রি।"

 

"অর্ণব।"

"হুম।"

"আজকে বৃষ্টিতে যা বললে — সেটা কি লেখায় আছে?"   

"আছে।"   

"হুবহু?"   

"হুবহু।"

"তাহলে পড়তে দেওয়ার আগে একটু ভাবো।"   "কেন?"

"কারণ পড়লে আবার কাঁদব।"

"কাঁদো। ভালো কারণে কাঁদলে ক্ষতি নেই।"

"তুমি এই কথা বলছ?"   

"আমি।"   

"আগে বলতে সব চেপে রাখতে।"   

"তুমি শিখিয়েছ।"   

"কী শিখিয়েছি?"

"ভেজা হাতে ধরতে।"

তিতলি উত্তর দিল না। কিন্তু অর্ণব জানে — সে হাসছে।

বাইরে বারাসাতের রাত।

বৃষ্টি থেমেছে। মাটি ভেজা।

বাতাসে গন্ধ। মাটির গন্ধ। ফুলের গন্ধ। ভেজা পাতার গন্ধ।

বর্ষার গন্ধ।

আজকে বলা হয়েছে। সহজে। স্বাভাবিকভাবে।

ভয় ছিল না। অস্বস্তি ছিল না।

শুধু ছিল — সততা। আর বৃষ্টি। আর তিতলি। আর একটা শিমুলগাছ। যে সব দেখেছে। সব জানে।

কদমতলার দিকে। ওই বাড়িতে।

তিতলি হয়তো এখন আঁকছে।

বৃষ্টির পরের রোদ। ভেজা মাঠ।

আর কে জানে — হয়তো একটা মানুষের ছবিও। ভেজা। মুখ উপরে। বৃষ্টিতে।

✦ একাদশ পর্বের সমাপ্তি ✦

পরের পর্বে

বর্ষা পুরোদমে। বারাসাতে জল জমছে রাস্তায়। একদিন অর্ণব আর তিতলি আটকে গেল বৃষ্টিতে — একটা পুরনো চায়ের দোকানে। সেই দোকানে বসে দুজন কথা বলল — ভবিষ্যতের কথা। কোথায় যাবে, কী হবে, কীভাবে থাকবে। আর সেই কথায় একটা ছোট্ট প্রতিশ্রুতি হল — অনানুষ্ঠানিক, কিন্তু সত্যিকারের।

অপেক্ষায় থাকুন — দ্বাদশ পর্ব: "ভবিষ্যতের ঠিকানা"

ভালোবাসা বলার জন্য সঠিক মুহূর্ত খোঁজা ভুল। সঠিক মুহূর্ত আসে না — তৈরি হয়। অর্ণব আজ তৈরি করল না। বৃষ্টি তৈরি করে দিল। শিমুলগাছ সাক্ষী রইল। আর তিতলির দুটো শব্দ — আমিও — সেটাই যথেষ্ট। কারণ ভালোবাসায় বড় বক্তৃতা লাগে না। শুধু লাগে — দুটো সত্যি মানুষ। আর একটা বৃষ্টি।

Analytics

Unique visitors

0

Visits

0

Reactions

0

💬 Comments (0)

No comments yet.

💌 Share Your Opinion With Us

📖 Read More Articles

Explore more articles and discover interesting stories from our blog.

View All Articles →